10 টি সেরা উপায়ে অনলাইনে ইনকাম শুরু করতে পারেন।

দশটি সেরা উপায়ে অনলাইন ইনকাম শুরু করতে পারেন। (কোন প্রকার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই, (স্পেশালি ছাত্র-ছাত্রীরা )

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় এই কথা আমরা নিশ্চয়ই কমবেশি সকলেই শুনেছি।

অনেকেই অনলাইনে ইনকাম করার বাংলাদেশি সাইট খুঁজে থাকেন।  আমরা অনেকেই শুনেছি আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং  করে মানুষের লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে ।

আসলে এই কথাগুলো কতটুকু সত্য ?

অনলাইনে ইনকাম কিভাবে করে ?

এরকম হাজারো প্রশ্ন আমাদের মনের মধ্যে । এখন আমরা একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। লকডাউনে বিপর্যস্ত হয়ে গেছে মানুষের জীবন। অনেকেরই অল্প কিছু সঞ্চয় ছিল এই করোনার মধ্যে শেষ হয়ে গেছে আমাদের পকেট এখন ফাঁকা। মানুষের ইনকাম সীমিত হয়ে গেছে। কিন্তু খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক বেড়ে গেছে।

করোনা মহামারীর পরে পৃথিবীর অবস্থা অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে যাবে বা হতে পারে। এমতা অবস্থায় আমরা অনেকেই  বিকল্প আয়ের এর উৎস সন্ধান করছি। আসুন প্রথমে জেনে নেই, 

কি কি কাজ করে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়?

অনেকভাবেই অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় তার মধ্যে জনপ্রিয় কিছু কাজের তালিকা আমি উল্লেখ করছি।

  • ফ্রিল্যান্সিং।
  • পার্সোনাল ওয়েবসাইট
  • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টসিপ
  • সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট।
  • ট্রান্সলেট।
  • অনলাইন টিউটোরিয়াল।
  • ওয়েব ডিজাইনিং।
  • কনটেন্ট রাইটিং।
  • ব্লগিং।
  • ইউটিউব এর মাধ্যমে।

ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং শব্দের অর্থ হলো স্বাধীন বা মুক্ত পেশা, নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান অধীনে কাজ না করে মুক্তভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা যায়। এর ফলে মুক্ত পেশাজীবীরা ঘরে বসেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারে। যেহেতু এটি একটি মুক্ত পেশা এবং নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান অধীনে না তাই এর কাজের ও নির্দিষ্ট পরিমাপ নেই। অনেকেই মনে করেন ফ্রিল্যান্সিং করে সাধারণত চাকরিজীবীর চাইতে অনেক বেশি ইনকাম করা যায়। এটা অনেক ক্ষেত্রেই সত্য নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো সত্য। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে খুব কম মানুষই নির্দৃষ্ট বায়ারের কাজ দীর্ঘ সময় ধরে করে থাকেন। এই সেক্টরে বিভিন্ন দেশের বায়ারের সাথে কাজ করতে হয়। সুতরাং আপনি যদি বেশি কাজ করতে পারেন তা আপনার টাকার পরিমাণ বেশি হবে। আর যদি কাজ না পান তাহলে আপনার ইনকাম হবে না .ব্যাপারটা এরকম। এক কথায় বলতে গেলে আপনার এমন কোন স্কিল আছে যা অনলাইনে সেল করা যাবে এবং আপনার সেই স্কিল অনলাইনে সেল করে ইনকাম করবেন। এটাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলে। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য জনপ্রিয় কিছু সাইটের লিংক নিচে দেওয়া হল

freelancer অ্যাকাউন্ট খুলুন

fiverr অ্যাকাউন্ট খুলুন

Upwork

Legiitঅ্যাকাউন্ট খুলুন

পার্সোনাল ওয়েবসাইট

অনলাইনে ইনকামের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ওয়েবসাইট। আপনার যদি নিজের একটি ওয়েব সাইট থাকে সেটা থেকে আপনি দুই ভাবে ইনকাম করতে পারেন। 1 আপনি আপনার প্রোডাক্ট আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেল করে।ইনকাম করতে পারেন। 2 আপনি আপনার ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। এডসেন্সের মাধ্যমে কিভাবে ইনকাম করবেন এটা নিয়ে একটা স্পেশাল আর্টিকেল থাকবে ক্লিক করে দেখে নিবেন। কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং ইনকাম শুরু করবেন এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টসিপ

অনলাইনে ইনকাম

অনলাইনে বিভিন্ন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ভার্চুয়াল সহকারি নিয়োগ করে থাকেন। এক্ষেত্রে কিছু প্রতিষ্ঠান রোবট ব্যবহার করে। কিছু প্রতিষ্ঠান মানুষ অনলাইনে হায়ার করে থাকেন। তাদের কোম্পানি হয়ে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কাজ হল তাৎক্ষণিকভাবে কাস্টমারদের কে বিভিন্ন মেসেজের রিপ্লাই দেওয়া। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং প্রোডাক্ট সম্বন্ধে কাস্টমারকে বিস্তারিত জানানো এজন্য দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন বিভিন্ন টাইপের পেমেন্ট করে থাকেন। কোম্পানিগুলো আপনার যদি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকে তাহলে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতে পারেন এবং ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট অনলাইনে ইনকাম করার বিশাল একটি মাধ্যম। আমরা সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া বলতে বুঝি ফেসবুক টুইটার ইনস্টাগ্রাম লিংকড ইন এবং ইউটিউব। আপনি যদি এসব নিয়েই সারাদিন ঘাটাঘাটি করেন। তাহলে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতে পারেন বিভিন্ন বায়ারের সাথে। বিভিন্ন দেশের বায়াররা তাদের কোম্পানির অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলো ম্যানেজ করার জন্য ফ্রিল্যান্সার করে থাকেন। আপনি যদি জানেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে কিভাবে গ্রাহকের কাছে প্রোডাক্ট সেল করা যায় এবং বিজনেস প্ল্যান করতে পারেন। তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে আপনি সহজেই অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।

নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন। আপনি কি কাজ করতে ভালোবাসেন বা আপনি কি কাজ জানেন? আপনি কি এমন কিছু জানেন যেটা অনলাইনে সেল করা যাবে? আপনি যদি কোন কাজ না জানেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার পছন্দের কাজের উপর স্কিল তৈরি করতে হবে। এখন আপনি হয়তো ভাবছেন যে আপনার কি স্কিল আছে সেটা আপনি নিজেই জানেন না।

ট্রান্সলেট

আপনি যদি বিভিন্ন ভাষায় পারদর্শী হন তাহলে ট্রান্সলেট করেও ভালো পরিমাণ অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন freelancer.com ফাইবার এবং অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে ট্রান্সলেটরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি যদি অন্যান্য ভাষায় কম পারদর্শী হয়ে থাকেন। তাহলেও এ কাজটি করতে পারবেন। কারণ গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার করে এধরনের কাজ খুব সহজেই করা যায়। তবে সতর্ক থাকতে হবে এবং আপনারও কিছু ভাষা জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। অনেক সময় গুগল ট্রান্সলেটর কিছু ভুলভাল তথ্য দিয়ে থাকে। একটু সতর্ক থেকে ট্রান্সলেটর হিসেবেও অনলাইন থেকে ভালো পরিমাণ ইনকাম করা সম্ভব।

অনলাইন টিউটোরিয়াল

আপনার যদি কোন বিশেষ স্কিল থাকে বা আপনার যদি মানুষকে কোন কিছু শেখানোর মতো এবিলিটি থাকে তাহলে অনলাইনেও সেটি করতে পারবেন। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে অনলাইনে ছাত্রছাত্রীরা তাদের সমস্যাগুলো আপলোড করে এবং অনলাইন থেকেই শিক্ষকরা সেই সমস্যাগুলো সমাধান করে থাকেন। এছাড়াও আপনি আপনার স্কিল অনুযায়ী ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করতে পারেন এবং সেগুলো অনলাইনে সেল করতে পারেন। আপনার যে কোন ভাল স্কিল অনলাইনে ভিডিও টিউটোরিয়াল হিসেবেও সেল করতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইনিং

বর্তমানে অনলাইনে ইনকাম করার যে কয়টি উপায় আছে তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বেশি ইনকাম করা যায় ওয়েব ডিজাইনিং সেক্টরে। তবে এ কাজটি কিন্তু সহজ নয়। কাজটিতে দক্ষতা অর্জন করতে হয় দীর্ঘ সময় ধরে এবং এটি চলতেই থাকে। যদি আপনি এই কাজে পারদর্শী হয়ে যান একবার তাহলে আর আপনাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং নাও করেন তারপরেও আপনার ভালো পরিমাণ ইনকামের সুযোগ থাকবে। আপনি নিজের প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারবেন। অন্যদেরকে শেখাতে পারবেন। ওয়েব ডিজাইনিং সেক্টর টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তবে এ কাজটি শেখার জন্য অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন এবং এই কাজটি সবার জন্য না। একথাটি খেয়াল রাখবেন। তবে আপনি যদি একবার এই কাজটি শিখে ফেলতে পারেন তাহলে অনলাইন ইনকাম এর সবচাইতে ভালো রাস্তাটি আপনি পেয়ে গেছেন।

কনটেন্ট রাইটিং

কনটেন্ট রাইটিং জিনিসটা অনেক বড় একটা বিষয় তারপরে আমি কিছুটা ধারণা দিবো। আপনি যে এই পোস্ট পড়ছেন এটাও একটা কনটেন্ট এটিও একটি কিওয়ার্ড দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট মানুষকে টার্গেট করে এই কনটেন্ট তৈরি করা হয়। সেটা হতে পারে কোন প্রোডাক্ট নিয়ে হতে পারে কোন নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে। কনটেন্ট রাইটিং অনলাইনে ইনকামের অন্যতম একটি সহজ মাধ্যম। কনটেন্ট রাইটিং করে একটি স্মার্ট অনলাইন ইনকাম করা সম্ভব এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ব্লগিং

কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা বস্তুর নিয়ে মানুষকে বিস্তারিত তথ্য ওয়েব পেজের মাধ্যমে প্রকাশকেই ব্লগিং বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি কোথাও বেড়াতে যান। সেখানকার ঐতিহাসিক স্থান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, যাওয়া-আসার রাস্তার বিবরণ, খাওয়া-দাওয়ার বিবরণ মানে একটি বিষয় সম্বন্ধে মানুষকে বিস্তারিতভাবে বোঝানো কেই বলা হয় ব্লগিং বলা হয়। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ব্লগ সাইট রয়েছে এবং সম্পূর্ণ ফ্রিতে কিছু ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন এবং খুব ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন তাড়াতাড়ি আর্টিকেল প্রকাশ করব অনুগ্রহ করে কিছুদিন অপেক্ষা করুন অথবা অন্যান্য ওয়েবসাইটের আর্টিকেল করুন।

ইউটিউব

আমরা কমবেশি সবাই ইউটিউব এর সাথে পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যম গুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো ইউটিউব। ইউটিউব থেকে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ভালো পরিমাণ ইনকাম করা সম্ভব। তবে এজন্য আপনাকে ভালো মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে। যেন মানুষ আপনার চ্যানেলকে সাবস্ক্রাইব।করে। ইউটিউব চ্যানেলে ইনকাম করার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করতে হবে এবং মনিটাইজেশন করার জন্য কিছু শর্ত ইউটিউব দিয়ে রেখেছে। সেগুলো পূরণ না করা পর্যন্ত আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করতে পারবেন না। কিভাবে একটি পারফেক্ট ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন এ বিষয় নিয়ে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল শীঘ্রই আসছে আমাদের সাথে থাকুন।

আমাদের কিছু ইংরেজি আর্টিকেল পড়ুন

নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন।

আপনি কি কাজ করতে ভালোবাসেন বা আপনি কি কাজ জানেন? আপনি কি এমন কিছু জানেন যেটা অনলাইনে সেল করা যাবে? আপনি যদি কোন কাজ না জানেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার পছন্দের কাজের উপর স্কিল তৈরি করতে হবে। এখন আপনি হয়তো ভাবছেন যে আপনার কি স্কিল আছে সেটা আপনি নিজেই জানেন না। এ ব্যাপারে আমি আপনাকে কিছু হেল্প করতে পারি।  আপনি আঁকাআঁকি করতে পছন্দ করেন তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন ‌।

মনে রাখবেন আমি বলেছি পছন্দ করেন কি না

আপনি এমন কিছু কাজ শিখতে যাবেন না,  যে কাজটি প্রতি আপনার আগ্রহ নেই বা আপনি কাজটি করে মজা পাবেন না এরকম কোন কাজ শিখবেন না। আপনি যদি প্রোগ্রামিং পছন্দ করেন বা ওয়েব ডেভেলপিং এর প্রতি আপনার দুর্বলতা থাকে তাহলে আপনি ওয়েব ডেভেলপিং শিখুন। অনেকেই আছেন মাইক্রোসফট অফিসের কাজ খুব ভালোভাবে পারেন। তারা এসব বিষয়ের ওপর ভালো কাজ পাবেন এবং এই কাজগুলো বেশ ভালো মূল্যায়ন করা হয় অনলাইনে। অনেকেই আছে ভালো ছবি এডিটিং করতে পারেন বা ভিডিও এডিটিং করতে পারেন তারা অনলাইনে কাজ করতে পারেন।

কাজ শিখার জন্য কি কি লাগবে ?

কাজ শেখার জন্য প্রথমত লাগবে আপনার ইচ্ছাশক্তি। কাজ শেখার প্রতি ভালোবাসা। কাজ শিখা অবস্থায় কম্পিউটার হলে ভালো হয় যদি মোবাইল থাকে মোবাইল দিয়েও কাজ শিখতে পারবেন ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে আর প্র্যাকটিস করার জন্য অবশ্যই কম্পিউটার প্রয়োজন হবে।

কাজ কোন জায়গা থেকে শিখবেন ?

কাজ শেখার জন্য কোথাও যেতে হবে না আপনার হাতে যদি মোবাইল থাকে আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকে তাহলে আপনি কাজ শিখতে পারবেন। আপনি যে কাজ শিখতে চান সেটা লিখে ইউটিউবে সার্চ করুন দেখবেন যে হাজার হাজার ইউটিউব টিউটোরিয়াল ভিডিও আপনি পেয়ে যাবেন। অনেকেই টাকা খরচ করে বিভিন্ন কোর্স করে থাকেন আমি মনে করি ইউটিউব থেকেই শেখা হল বেস্ট,  কারণ এখানে বিভিন্ন ভাবে একটি বিষয় শিখতে পারবেন। একজনের ভিডিও দেখে বুঝতে না পারলে অন্যজনের টা দেখবেন টিউটোরিয়ালের শেষ নাই।

মোবাইল দিয়েও কি কাজ করা যায় ?

আমি যদি এক কথায় উত্তর দেই তাহলে বলবো “না” মোবাইল দিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করতে পারবেন না।

কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে কিন্তু সেটি খুবই সীমিত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই একটি কম্পিউটার এবং সাথে ইন্টারনেট থাকতে হবে।

কিরকম বাজেটের কম্পিউটার তৈরি করা প্রয়োজন?

সেটা নির্ভর করবে আপনি কি ধরনের কাজ করবেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে। এখানে অনেকগুলো ক্যাটাগরি আছে। যেমন ভিডিও এডিটিং গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য যদি আপনি কম্পিউটার তৈরি করেন তাহলে মোটামুটি ভালো কনফিগারেশন প্রয়োজন হবে। আনুমানিক 30 থেকে 40 হাজার টাকার মতো খরচ হবে এ ধরনের পিসি তৈরি করতে। এছাড়া মাইক্রোসফট অফিস বা ডিজিটাল মার্কেটিং টাইপের কাজগুলো করতে এত হাই  কনফিগারেশনের প্রয়োজন হবে না । এ ধরনের কম্পিউটার 25 থেকে 30 হাজার টাকা খরচ করলেই আপনি কাজ করতে পারবেন। আমি ধরে নিচ্ছি আপনার একটি কম্পিউটার আছে । এখন আপনি কি কাজ শিখবেন আমি সবগুলো কাজের একটি প্রাথমিক ধারণা দিব প্রথমে আসি ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর আমার কিছু ইউটিউব ভিডিও আছে চাইলে এখান থেকে দেখে আসতে পারেন।
আশা করছি অনেক বিষয় আপনাদের সামনে ক্লিয়ার করতে পেরেছি এই আর্টিকেলটিতে আমি শুধু অনলাইন ইনকাম কিভাবে করবেন বা করা যায় এটা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এবং কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করা যায় অনলাইনে এই বিষয়গুলো ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেছি। আমি পরবর্তীতে অন্যান্য ছোট ছোট বিষয়গুলো ভালভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। এই আর্টিকেলে যদি আপনাদের কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় আমাকে কমেন্ট করে জানান আমি সেগুলো ক্লিয়ার করে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ .আজ এ পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন।